আব্দুলা নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের পাহাড়: নিঃশ্বেষ হচ্ছে শত শিশুর ভবিষ্যৎ, তদন্তের আকুল আরতি

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ৬:৪০ PM ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
আব্দুলা নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের পাহাড়: নিঃশ্বেষ হচ্ছে শত শিশুর ভবিষ্যৎ, তদন্তের আকুল আরতি
একটি ছবিতে নিষিদ্ধ সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে প্রধান শিক্ষকের আসনে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখা গেছে।
Advertisement
Advertisement

খলিলুর রহমান রানা,নরসিংদী থেকেঃ

যেখানে গড়া হয় জাতির ভবিষ্যৎ, যেখানে আলোর মশাল জ্বালানোর কথা—নরসিংদীর বেলাব উপজেলার আব্দুল্লাহ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আজ যেন এক আঁধারপুরীতে পরিণত হয়েছে। চরম অনিয়ম, সময়ের তোয়াক্কা না করা, দায়িত্বে অবহেলা আর শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতায় প্রতিনিয়ত ধুলোয় মিশে যাচ্ছে অবুঝ শত শিশুর স্বপ্নের ভবিষ্যৎ।

Advertisement
Advertisement

সরকারি নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে নিজেদের ব্যক্তিগত তালুকে পরিণত করার অভূতপূর্ব অভিযোগে আজ ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে এই প্রতিবেদকের চোখে পড়ে আরও এক ভয়াবহ চিত্র। ক্লাসরুমে গিয়ে দেখা যায়, এক সহকারী শিক্ষক পাঠদানের ধার না ধারে হাই বেঞ্চের ওপর পায়ের ওপর পা তুলে নিশ্চিন্তে মোবাইলে টিকটক করছেন, আর শ্রেণিকক্ষের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা বাকরুদ্ধ হয়ে নিস্তব্ধ অবস্থায় বসে আছে।

শুধু তা-ই নয়, বিদ্যালয়ের অফিস রুমে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসে আছেন নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাচ্চু মিয়া। নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় যে পাঠশালার দরজা খুলে শিশুর কলকাকলিতে মুখরিত হওয়ার কথা, সেখানে প্রতিদিন গড়ায় সাড়ে ৯টার বেশি। আর বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটের সমাপনী ঘণ্টার অনেক আগেই, ঘড়ির কাঁটা ৩টা ৪৫ স্পর্শ করতেই তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বিদ্যালয়ের ফটকে। সারাদিনে নামে মাত্র দুই-তিনটি ক্লাসের অভিনয় শেষে স্থবির হয়ে পড়ে সব শিক্ষা কার্যক্রম। পুরো একটি দিন এসে অবুঝ শিশুরা কী শিখলো, সে উত্তর কারোরই জানা নেই।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: রায়পুরায় সন্ত্রাস ও অবৈধ বালুমহাল বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান, গভীর রাতেও তল্লাশির পরিকল্পনা

রায়পুরায় সন্ত্রাস ও অবৈধ বালুমহাল বন্ধে দিনভর যৌথ অভিযান, গভীর রাতেও তল্লাশির পরিকল্পনা

এসব গুরুতর অনিয়মের জবাব চাইতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি যে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেন তা শিউরে ওঠার মতো। সব শিষ্টাচার ও পেশাদারিত্ব বিসর্জন দিয়ে চরম দম্ভের সঙ্গে তিনি বলেন, \"বিদ্যালয় আমার, স্বাধীনতাও আমার। আপনারা সাংবাদিকরা লেখেন, এতে আমার কিছু যায় আসে না।\" নিজ সন্তানদের বিদ্যালয়ে এনে পাঠদানের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাঁর সস্তা যুক্তি, \"আমার দুটি বাচ্চা, আমি কি তাদের এতিমখানায় রেখে আসবো?\" শুধু তা-ই নয়, কোমলমতি অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত দুপুরের খাবার নিজ সন্তানদের খাওয়ানোর চরম নৈতিকতাবিহীন কাণ্ডকেও অত্যন্ত স্বাভাবিক দাবি করে তিনি বলেন, \"আমি স্কুলের শিক্ষক, আমার বাচ্চারা খেতেই পারে—এটাই স্বাভাবিক। আপনি পারলে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করেন, উনি নিষেধ করলে আমি আর বাচ্চা নিয়ে স্কুলে আসবো না এবং তাদের কোনো খাবার খেতে দেব না।\" শিক্ষকদের এমন লাগামহীন আচরণে ক্ষুব্ধ সচেতন মহল। 

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জেসমিন আক্তারের কাছে দেরিতে আসার কারণ জানতে চাওয়া হলে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কণ্ঠে তিনি উত্তর দেন, \"স্কুলে আসতে ১০-২০ মিনিট দেরি হতেই পারে, এটা দোষের কিছু নয়।\" অকালেই স্কুল ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আক্ষেপ না করে তিনি নির্দ্বিধায় স্বীকার করেন, \"আমাদের বাসায় একটু কাজ ছিল, এ জন্য আমরা আধা ঘণ্টা আগে স্কুল ছুটি দিয়ে দিয়েছি।\" শিক্ষা কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া এভাবে মনগড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি না—জানতে চাইলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সবকিছু শিক্ষা অফিসারকে জানিয়ে করা সম্ভব নয়। স্থানীয়দের বুকে জমাট বেঁধেছে তীব্র ক্ষোভ ও যন্ত্রণা। বাসিন্দারা চোখের সামনে দেখছেন একটি সম্ভাবনাময় প্রজন্মের নীরব ধ্বংসস্তূপ। স্থানীয় বাসিন্দা কাদের মিয়া আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, \"তারা মনগড়ামতো স্কুলে আসে এবং মনগড়ামতো চলে যায়। ১০টা-সাড়ে ১০টায় এসে এক-দুটি ক্লাস নিয়ে তারা ক্লাসরুমে বসে আড্ডা দেন।\"

Advertisement
Advertisement

 নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনৈতিকভাবে ম্যানেজ করেই প্রতিদিন সময়ের আগেই বিদায় নেন শিক্ষকেরা। সম্প্রতি সহকারী শিক্ষক জেসমিন আক্তারের একটি ভিডিও মেঘনা টেলিভিশনের হাতে এসেছে, যেখানে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের প্রতি বিন্দুমাত্র নজর না দিয়ে ক্লাসের হাই বেঞ্চে পা তুলে বসে ফোনে কারোর সাথে হেসে হেসে গল্পে মেতে আছেন তিনি। কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যৎ যখন এভাবে চরম অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, তখন নীরব ভূমিকায় প্রশাসন।

 সার্বিক অব্যবস্থাপনা ও অভিযোগের বিষয়ে বেলাবো উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রেজা ই রাব্বির সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া মেলেনি। প্রাথমিক শিক্ষা একটি শিশুর জীবনের সবচেয়ে মজবুত ভিত্তি। কিন্তু আব্দুল্লাহ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ কেমন করুণ চিত্র? দায়িত্বপ্রাপ্তদের নীতিহীনতা আর চরম বেপরোয়া মনোভাবের কারণে আজ নিঃশ্বেষ হতে বসেছে নিষ্পাপ কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যৎ। এই আঁধার কেটে কি নতুন আলোর মুখ দেখবে বিদ্যালয়টি? অভিভাবক ও এলাকাবাসীর একটাই বুকফাটা আকুতি—অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় এনে আব্দুল্লাহ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুবাতাস ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:৩৫ AM ৩৫ বার পড়া হয়েছে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর
সংগৃহীত ছবি
Advertisement
Advertisement

পল্লী টিভি ডেক্সঃ

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিজেদের ফলাফল জানতে পারবেন।

Advertisement
Advertisement

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে, ২৬ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

এর আগে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। পরে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

গত ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চলতি বছর দেশের সব শিক্ষাবোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তবে পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement

পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।

তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নতুন সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও শেষ হয়।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ২:০১ PM ৯৮ বার পড়া হয়েছে
বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর
ছবি: মেম্বার পদপ্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ডাক্তার,পল্লী টিভি,
Advertisement
Advertisement

​খলিলুর রহমান রানা, পল্লী টিভি:

​আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বরিকান্দি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে বইছে নির্বাচনি আমেজ। পাড়া-মহল্লা থেকে চায়ের দোকান—সর্বত্রই এখন একটাই আলোচনা। তবে সচেতন ভোটার ও সাধারণ মানুষের মুখে যে নামটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন সমাজসেবক ও জনদরদী মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব (হাবিব ডাক্তার)। প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই মানবিক কর্মকাণ্ড ও দূরদর্শী ভাবমূর্তির কারণে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছেন।

Advertisement
Advertisement

​সরজমিনে ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রাম ও লোকালয় ঘুরে দেখা গেছে, পদ-পদবির মোহ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা হাবিব ডাক্তারকে ঘিরে দেখা দিয়েছে নতুন আশা। গণসংযোগকালে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফুটে উঠছে তাঁর অতীতের নানা জনকল্যাণমূলক কাজের ফিরিস্তি। ​যাতায়াত ও অবকাঠামো উন্নয়নে অনন্য অবদান
​একসময় সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যেত এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে হাবিব ডাক্তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার করে দেন।

​তাঁর অর্থায়নে বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো:

Advertisement
Advertisement

​তালতলার মোড় থেকে মাগুন সরকারের বাড়ির শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ​বড় বাড়ির মসজিদ থেকে কেরানি বাড়ির কবির মিয়ার দোকান পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। ​আক্তার মিয়ার দোকান থেকে মতি মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন।
​আবু তাহেরের দোকান থেকে থোল্লাকান্দি প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ।​থোল্লাকান্দি ঈদগাহ থেকে কবরস্থান পর্যন্ত চলাচলের রাস্তা পাকার ব্যবস্থা।
​এছাড়াও বর্ষাকালে জলজট নিরসন ও পথচারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তিনি মোহন ডাক্তারের বাড়ি থেকে মোমিন ব্যাপারির বাড়ি পর্যন্ত ড্রেনে নিজ অর্থায়নে সুপরিসর স্লাব বসিয়ে দেন।
​পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে বিশেষ উদ্যোগ
​শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণেই থেমে থাকেননি হাবিব ডাক্তার; জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশবান্ধব এলাকা গঠনেও তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। নিজ উদ্যোগে নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা এবং জমে থাকা বর্জ্যের স্তূপ সরাতে তিনি লোকবল নিয়ে নিজে মাঠে থাকেন। তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টায় ৮ নম্বর ওয়ার্ডটি আজ একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বস্তিদায়ক আবাসে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: রায়পুরায় পারিবারিক কলহে ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিিযোগ।

রায়পুরায় পারিবারিক কলহে ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিিযোগ।

​শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উদার সহযোগিতা

Advertisement
Advertisement

​এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে হাবিব ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরে সাধ্যমতো আর্থিক ও নির্মাণসামগ্রী প্রদান করে আসছেন। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর সহযোগিতা সর্বজনবিদিত।

​এলাকাবাসীর প্রত্যাশা

Advertisement
Advertisement

​৮ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “হাবিব ডাক্তার শুধু নির্বাচনের প্রার্থী নন, তিনি আমাদের বিপদে-আপদে আস্থার মূল আশ্রয়স্থল।” সচেতন জনগণের একদাবি—একটি আধুনিক, মাদক মুক্ত ও মডেল ওয়ার্ড গড়ার লক্ষ্যে আসন্ন নির্বাচনে জনদরদী মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব (হাবিব ডাক্তার)-কে বিপুল ভোটে বিজয়ী করা।

ট্যাগ:

সাম্প্রদায়িক রায়পুরা গড়ার অঙ্গীকার: পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা ও শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির মেয়র প্রার্থী মানিক চৌধুরী

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ৬:৪২ PM ৯৯ বার পড়া হয়েছে
সাম্প্রদায়িক রায়পুরা গড়ার অঙ্গীকার: পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা ও শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির মেয়র প্রার্থী মানিক চৌধুরী
ছবিঃ পল্লি টিভি
Advertisement
Advertisement

​খলিলুর রহমান রানা, বিশেষ প্রতিনিধি:

 শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে নরসিংদীর রায়পুরা পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা নুর আহমেদ চৌধুরী মানিক। 

পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সাথে মণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার খোঁজখবর নেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। ​নুর আহমেদ চৌধুরী মানিক রায়পুরা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিদর্শনকালে তিনি আসন্ন রায়পুরা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন এবং পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করেন। 

শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মানিক চৌধুরী বলেন, ​“\'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার\'—এই চেতনাতেই আমাদের পথচলা। প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আনন্দময় মুহূর্ত আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।” 

​তিনি আরও বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির নেতৃত্বে রায়পুরায় যে উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। 

​পৌরবাসীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও নিরাপদ শহর উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি যোগ করেন, “দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে নাগরিক ও প্রশাসনকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।” ​এসময় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, কৃষক দল, শ্রমিক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে প্রধানমন্ত্রী

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে প্রধানমন্ত্রী

ট্যাগ: