শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমেই সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে: রায়পুরায় ফাইজুর রহমান সরকার বাছেদ

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫২০২৫, ৩:৪২ AM ৫,৬১৬ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমেই সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে: রায়পুরায় ফাইজুর রহমান সরকার বাছেদ
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

খলিলুর রহমান রানা, রায়পুরা,নরসিংদী থেকে:

​নরসিংদীর রায়পুরায় কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তির নগদ অর্থ ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক, ছন্দু মিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফাইজুর রহমান সরকার (বাছেদ) বলেছেন, \\\"শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমেই সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সঠিক শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতা ধারণ করতে পারলে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখা সম্ভব।\\\"

Advertisement
Advertisement

​কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ এবং পড়ালেখায় উৎসাহ দেওয়ার এমন উদ্যোগকে তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি বলেন, ছন্দু মিয়া ফাউন্ডেশন সর্বদা সমাজের অবহেলিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষা প্রসারের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পরে তিনি কৃতি শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং তাদের অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

ট্যাগ:

সরকারি বাসভবন ভাড়া দিলে ব্যবস্থা, শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশ

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:২৫ AM ২৯ বার পড়া হয়েছে
সরকারি বাসভবন ভাড়া দিলে ব্যবস্থা, শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশ
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর । ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে অন্যের কাছে পুরো বাসা কিংবা এক বা একাধিক কক্ষ ভাড়া দিয়েছেন- এমন সরকারি কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) এর মধ্যে ভাড়াটিয়াদের সরিয়ে দিয়ে বরাদ্দ করা বাসায় নিজে বসবাস করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বাসার বরাদ্দ বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের জারি করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু বরাদ্দপ্রাপক তাদের নামে বরাদ্দ করা সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটের এক বা একাধিক কক্ষ কিংবা সম্পূর্ণ বাসা অন্যের কাছে সাবলেট বা ভাড়া দিয়েছেন। এ ধরনের কার্যক্রম ‘বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২’ -এর পরিপন্থি।

এ অবস্থায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীন কোনো বাসা বা ফ্ল্যাটের সম্পূর্ণ অংশ কিংবা আংশিক কোনো কক্ষ অন্যের কাছে সাবলেট বা ভাড়া না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে যারা বাসা ভাড়া দিয়েছেন, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভাড়াটিয়াদের সরিয়ে যথানিয়মে বরাদ্দ করা বাসায় বসবাস করতে বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ৩১ অক্টোবরের পর কোনো সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটে সাবলেট কিংবা ভাড়া দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো কারণ দর্শানোর সুযোগ না দিয়েই বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হতে পারে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের অফিসপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে, যেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে এ -সংক্রান্ত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ -এর বিধি ১৪(৩) -এর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


 

আরও পড়ুন: মেঘনা গ্রুপের জমি দখল: প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা, নীরব দর্শকের ভূমিকায় এসিল্যান্ড মুনমুন পাল\\\\\\\"

মেঘনা গ্রুপের জমি দখল: প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা, নীরব দর্শকের ভূমিকায় এসিল্যান্ড মুনমুন পাল\\\\\\\"

ট্যাগ:

মেঘনা গ্রুপের জমি দখল: প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা, নীরব দর্শকের ভূমিকায় এসিল্যান্ড মুনমুন পাল\\\\\\\"

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:০৮ AM ৪৯ বার পড়া হয়েছে
মেঘনা গ্রুপের জমি দখল: প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা, নীরব দর্শকের ভূমিকায় এসিল্যান্ড মুনমুন পাল\\\\\\\"
ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

 ​খলিুর রহমান রানা, রায়পুরা (নরসিংদী) :

 নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে ফসলি জমি ও সরকারি খাসজমি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে, কাঁকন নদী মেঘনা নদী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় স্থানীয় কৃষিকাজ, মৎস্য আহরণ ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় অনুষ্ঠান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

 এ বিষয়ে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও উপজেলা ভূমি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি সরকারি খাসজমির দীর্ঘমেয়াদি লিজের বিপরীতে নির্ধারিত ১ কোটি ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

 ​চলতি বছর জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে জনস্বার্থে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। গত ১৪ এপ্রিল ‘রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী’ শিরোনামে প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশ পায়। পরবর্তীতে ২৪ মে কাঁকন নদী দখল ও তদন্ত নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ এবং ২১ জুন সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক হয়রানির অভিযোগ এনে আরও সংবাদ প্রকাশিত হয়।

 ​স্থানীয়দের অভিযোগ, মেঘনা নদী থেকে কাঁকন নদী বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এর স্বাভাবিক প্রবাহ সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীনির্ভর জেলেদের জীবিকা সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের ফসলি জমিতেও আগের মতো ফসল ফলছে না। নদীটির সঙ্গে মেঘনার পুনঃসংযোগ স্থাপনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় জনমনে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। ​কাঁকন নদীর সঙ্গে জড়িত রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী পাগলনাথ মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও। 

নদীটির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পূর্ণিমা তিথিতে পুণ্যস্নানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ​এ বিষয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সজল পাল চৌধুরী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, গত কয়েক বছর ধরে নদীসংক্রান্ত জটিলতার কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরকারি খাসজমির লিজের রাজস্ব আদায় এবং সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে রায়পুরা ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের উপসহকারী কর্মকর্তা আবু জাফর মো. শরীফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর জানা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বলতে পারবেন জানিয়ে তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। 

​অভিযোগের বিষয়ে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের রায়পুরা শাখার উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. জালাল উদ্দিনের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এ ধরনের কিছু হয়নি।” এরপর তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি। 

​এ বিষয়ে রায়পুরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনমুন পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি জানেন।” 

​তবে ফসলি জমি ও সরকারি খাসজমি জবরদখল, লিজের রাজস্ব আদায় এবং কাঁকন নদী পুনঃসংযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা

যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা

ট্যাগ:

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:৩৫ AM ৪০ বার পড়া হয়েছে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর
সংগৃহীত ছবি
Advertisement
Advertisement

পল্লী টিভি ডেক্সঃ

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিজেদের ফলাফল জানতে পারবেন।

Advertisement
Advertisement

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে, ২৬ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

এর আগে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। পরে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

গত ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চলতি বছর দেশের সব শিক্ষাবোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তবে পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement

পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।

তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নতুন সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও শেষ হয়।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ: