ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু চলতি অর্থবছরে কার্ড ও ভাতা পাবেন ৪১ লাখ নারী

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১:৫৪ AM ৮২ বার পড়া হয়েছে
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু চলতি অর্থবছরে কার্ড ও ভাতা পাবেন ৪১ লাখ নারী
দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারের আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সংগৃহীত ছবি
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারের আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর কেন্দ্রীয়ভাবে উদ্বোধনের পর সারা দেশের ন্যায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৮ নম্বর ওয়ার্ডেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন নিয়োজিত কর্মীরা। 

Advertisement
Advertisement

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন তথ্যভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪১ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে ভাতা প্রদানে। 

সমাজসেবা অধিদফতরের শহর সমাজসেবা কার্যালয়-৬, মোহাম্মদপুরের আওতাধীন ডিএনসিসির ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।     

Advertisement
Advertisement

সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা যাচাই করে কর্মসূচির উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম হলে নারী পরিবারপ্রধানকে ভাতা পাওয়ার যোগ্য বিবেচনা করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হলেও ভাতা পাবেন প্রথম তিন শ্রেণির যোগ্য পরিবারগুলো।  

তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ডিভাইস ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন তথ্যভান্ডারে যুক্ত হবে। এ জন্য তথ্য সংগ্রহের নির্দেশিকা প্রণয়ন, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সমাজসেবা কার্যালয়।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: সংবিধান সংশোধনে বিচার বিভাগের এখতিয়ার নির্ধারণের প্রস্তাব

সংবিধান সংশোধনে বিচার বিভাগের এখতিয়ার নির্ধারণের প্রস্তাব

এর আগে গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ওই পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষামূলক পর্যায়ে বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা উপকারভোগীদের ভাতা হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement

উপকারভোগীদের ফ্যামিলি কার্ডে থাকবে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) সুবিধা। কার্ডটি সরকারের ‘টাকা পে’ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) এবং মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ভাতার টাকা তুলতে পারবেন উপকারভোগীরা।

সমাজসেবা অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কার্যালয় জানিয়েছে, পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। আগামী তিন অর্থবছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব যোগ্য নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সোমবারের স্থানীয় কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব), অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

Advertisement
Advertisement


 

ট্যাগ:

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:৩৫ AM ৩৫ বার পড়া হয়েছে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর
সংগৃহীত ছবি
Advertisement
Advertisement

পল্লী টিভি ডেক্সঃ

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিজেদের ফলাফল জানতে পারবেন।

Advertisement
Advertisement

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে, ২৬ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

এর আগে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। পরে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

গত ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চলতি বছর দেশের সব শিক্ষাবোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তবে পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement

পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।

তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নতুন সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও শেষ হয়।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ২:০১ PM ৯৮ বার পড়া হয়েছে
বড়ি কান্দি মেম্বার প্রার্থী হাবিব ডাক্তারের জনপ্রিয়তার জোয়ার, জয়ের স্বপ্ন এলাকাবাসীর
ছবি: মেম্বার পদপ্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ডাক্তার,পল্লী টিভি,
Advertisement
Advertisement

​খলিলুর রহমান রানা, পল্লী টিভি:

​আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বরিকান্দি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে বইছে নির্বাচনি আমেজ। পাড়া-মহল্লা থেকে চায়ের দোকান—সর্বত্রই এখন একটাই আলোচনা। তবে সচেতন ভোটার ও সাধারণ মানুষের মুখে যে নামটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন সমাজসেবক ও জনদরদী মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব (হাবিব ডাক্তার)। প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই মানবিক কর্মকাণ্ড ও দূরদর্শী ভাবমূর্তির কারণে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসেছেন।

Advertisement
Advertisement

​সরজমিনে ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রাম ও লোকালয় ঘুরে দেখা গেছে, পদ-পদবির মোহ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা হাবিব ডাক্তারকে ঘিরে দেখা দিয়েছে নতুন আশা। গণসংযোগকালে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফুটে উঠছে তাঁর অতীতের নানা জনকল্যাণমূলক কাজের ফিরিস্তি। ​যাতায়াত ও অবকাঠামো উন্নয়নে অনন্য অবদান
​একসময় সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যেত এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে হাবিব ডাক্তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার করে দেন।

​তাঁর অর্থায়নে বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো:

Advertisement
Advertisement

​তালতলার মোড় থেকে মাগুন সরকারের বাড়ির শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ​বড় বাড়ির মসজিদ থেকে কেরানি বাড়ির কবির মিয়ার দোকান পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। ​আক্তার মিয়ার দোকান থেকে মতি মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন।
​আবু তাহেরের দোকান থেকে থোল্লাকান্দি প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ।​থোল্লাকান্দি ঈদগাহ থেকে কবরস্থান পর্যন্ত চলাচলের রাস্তা পাকার ব্যবস্থা।
​এছাড়াও বর্ষাকালে জলজট নিরসন ও পথচারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তিনি মোহন ডাক্তারের বাড়ি থেকে মোমিন ব্যাপারির বাড়ি পর্যন্ত ড্রেনে নিজ অর্থায়নে সুপরিসর স্লাব বসিয়ে দেন।
​পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে বিশেষ উদ্যোগ
​শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণেই থেমে থাকেননি হাবিব ডাক্তার; জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশবান্ধব এলাকা গঠনেও তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। নিজ উদ্যোগে নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা এবং জমে থাকা বর্জ্যের স্তূপ সরাতে তিনি লোকবল নিয়ে নিজে মাঠে থাকেন। তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টায় ৮ নম্বর ওয়ার্ডটি আজ একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বস্তিদায়ক আবাসে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: রায়পুরায় পারিবারিক কলহে ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিিযোগ।

রায়পুরায় পারিবারিক কলহে ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিিযোগ।

​শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উদার সহযোগিতা

Advertisement
Advertisement

​এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে হাবিব ডাক্তার দীর্ঘদিন ধরে সাধ্যমতো আর্থিক ও নির্মাণসামগ্রী প্রদান করে আসছেন। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর সহযোগিতা সর্বজনবিদিত।

​এলাকাবাসীর প্রত্যাশা

Advertisement
Advertisement

​৮ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “হাবিব ডাক্তার শুধু নির্বাচনের প্রার্থী নন, তিনি আমাদের বিপদে-আপদে আস্থার মূল আশ্রয়স্থল।” সচেতন জনগণের একদাবি—একটি আধুনিক, মাদক মুক্ত ও মডেল ওয়ার্ড গড়ার লক্ষ্যে আসন্ন নির্বাচনে জনদরদী মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব (হাবিব ডাক্তার)-কে বিপুল ভোটে বিজয়ী করা।

ট্যাগ:

সাম্প্রদায়িক রায়পুরা গড়ার অঙ্গীকার: পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা ও শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির মেয়র প্রার্থী মানিক চৌধুরী

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ৬:৪২ PM ৯৯ বার পড়া হয়েছে
সাম্প্রদায়িক রায়পুরা গড়ার অঙ্গীকার: পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা ও শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির মেয়র প্রার্থী মানিক চৌধুরী
ছবিঃ পল্লি টিভি
Advertisement
Advertisement

​খলিলুর রহমান রানা, বিশেষ প্রতিনিধি:

 শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে নরসিংদীর রায়পুরা পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা নুর আহমেদ চৌধুরী মানিক। 

পরিদর্শনকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সাথে মণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার খোঁজখবর নেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। ​নুর আহমেদ চৌধুরী মানিক রায়পুরা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরিদর্শনকালে তিনি আসন্ন রায়পুরা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন এবং পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করেন। 

শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মানিক চৌধুরী বলেন, ​“\'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার\'—এই চেতনাতেই আমাদের পথচলা। প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আনন্দময় মুহূর্ত আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।” 

​তিনি আরও বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপির নেতৃত্বে রায়পুরায় যে উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। 

​পৌরবাসীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও নিরাপদ শহর উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি যোগ করেন, “দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে নাগরিক ও প্রশাসনকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।” ​এসময় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, কৃষক দল, শ্রমিক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে প্রধানমন্ত্রী

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগ সফরে প্রধানমন্ত্রী

ট্যাগ: