কাশিমপুরের পর টোক ভূমি অফিসে লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ৬:০৪ PM ৪১ বার পড়া হয়েছে
কাশিমপুরের পর টোক ভূমি অফিসে লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

কাশিমপুরের পর টোক ভূমি অফিসে লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ।প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কি চাপা দেওয়া যাবে অনিয়মের চিত্র?

গাজীপুরের বিভিন্ন ভূমি অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে যখন প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়েই সামনে এসেছে কাপাসিয়ার টোক নয়ন বাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কথিত ঘুষ-বাণিজ্যের ভয়াবহ চিত্র।

Advertisement
Advertisement

সম্প্রতি গাজীপুরের কাশিমপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিভাগীয় তদন্ত চলার তথ্য সামনে এসেছে। এর মধ্যেই টোক ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বাবলু মিয়ার বিরুদ্ধে লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ এবং কথোপকথনের ভিডিও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—গাজীপুরের ভূমি অফিসগুলোতে অনিয়ম-দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে?

আরও বিস্ময়ের বিষয়, আগের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর অভিযোগের সরাসরি ব্যাখ্যা দেওয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement
Advertisement

তবে প্রশ্ন একটাই—প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কি লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগের সত্যতা আড়াল করা সম্ভব?

কাশিমপুরের পর টোক—তাহলে কি সমস্যা ব্যক্তি নয়, ব্যবস্থায়?

Advertisement
Advertisement

সম্প্রতি কাশিমপুর ভূমি অফিসে প্রকাশ্য অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উঠে এসেছে আরও গুরুতর অভিযোগ।

Advertisement
Advertisement

একই জেলার একের পর এক ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসায় সচেতন মহলে এখন প্রশ্ন উঠছে—ভূমি অফিসের অনিয়ম কি বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ড, নাকি এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের একটি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা?

লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ, হাতে ভিডিও!

Advertisement
Advertisement

টোক নয়ন বাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বাবলু মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ—নামজারি, জমাভাগ ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত কাজকে কেন্দ্র করে সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।

এর মধ্যে প্রায় ১ একর ৫০ শতাংশ বন্দোবস্তকৃত জমির নামজারি সংক্রান্ত একটি ঘটনায় এক লাখ টাকা দাবির অভিযোগ সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

Advertisement
Advertisement

সংশ্লিষ্টদের কাছে থাকা ভিডিওতে বাবলু মিয়ার সামনে সেবাপ্রার্থীদের বসে কথা বলতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তার মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে ১,০০,০০০ টাকা অঙ্কটি টাইপ করে দেখানোর দৃশ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভিডিওতে তাকে কথিতভাবে বলতে শোনা যায়—

Advertisement
Advertisement

«“খাজনাও তো অনেক হইব। খাজনা-টাজনাসহ একবারে এইডা নিমু, পুরা।”»

এখানেই শেষ নয়।

Advertisement
Advertisement

সেবাপ্রার্থী অর্থের পরিমাণ বেশি হওয়ার কথা বললে বাবলু মিয়ার কথোপকথনে উঠে আসে আরও একটি রহস্যজনক বক্তব্য—

«“আমরা তো বাস করি সাগরে... নদীর পানি সাগরে নিয়া ঢালুন লাগে, ঝামেলা হইল ঐ জায়গায়।”»

Advertisement
Advertisement

এই কথার প্রকৃত অর্থ কী—তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া জরুরি।

‘অফিসারের বাইরে কিছু কইয়া পারুম না’—অভিযোগের নেপথ্যে কারা?

Advertisement
Advertisement

ভিডিওতে বাবলু মিয়াকে ‘অফিসার’-এর প্রসঙ্গ তুলতেও শোনা যায় বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

তিনি কথিতভাবে বলেন, তিনি চাকরি করেন এবং অফিসারের বাইরে কিছু বলতে পারেন না।

Advertisement
Advertisement

এখন প্রশ্ন—‘অফিসার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

তিনি কি শুধু নিজের দায়িত্বের কথা বলেছেন, নাকি কথিত অর্থের ভাগাভাগির কোনো ইঙ্গিত দিয়েছেন?

Advertisement
Advertisement

এই প্রশ্নের উত্তর বের করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কারণ একজন মাঠপর্যায়ের ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ উঠলে শুধু তার ব্যক্তিগত বক্তব্য গ্রহণ করলেই তদন্ত শেষ হতে পারে না।

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি, কিন্তু মূল প্রশ্নের উত্তর কোথায়?

Advertisement
Advertisement

আগের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বাবলু মিয়া বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং ভুয়া সাংবাদিকতার দাপটে আজ সাংবাদিকতা পেশাটি প্রশ্নবিদ্ধ।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং ভুয়া সাংবাদিকতার দাপটে আজ সাংবাদিকতা পেশাটি প্রশ্নবিদ্ধ।

অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অভিযোগ অস্বীকার করা এবং অভিযোগের মূল প্রমাণের নিরপেক্ষ তদন্ত—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

Advertisement
Advertisement

যদি ভিডিওটি মিথ্যা বা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তাহলে তা প্রযুক্তিগতভাবে যাচাই করা হোক।

যদি এক লাখ টাকা সরকারি ফি ও বৈধ খরচের অংশ হয়ে থাকে, তাহলে সরকারি নির্ধারিত ফি-এর তালিকা ও হিসাব প্রকাশ করা হোক।

Advertisement
Advertisement

আর যদি ওই অর্থ সরকারি ফি না হয়ে থাকে, তাহলে সেটি কেন দাবি করা হয়েছিল—তার তদন্ত হওয়া জরুরি।

কাশিমপুরে ব্যবস্থা হলে টোকে তদন্ত নয় কেন?

Advertisement
Advertisement

সচেতন মহলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখানেই।

কাশিমপুর ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের পর যদি প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে এবং বিভাগীয় তদন্ত করতে পারে, তাহলে টোক ভূমি অফিসের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠলে একই মানদণ্ডে তদন্ত করা হবে না কেন?

Advertisement
Advertisement

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসন চাইলে—

- সংশ্লিষ্ট নামজারি ফাইল পরীক্ষা করতে পারে;
- সরকারি ফি ও কথিত আদায়ের অঙ্ক তুলনা করতে পারে;
- সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য নিতে পারে;
- ভিডিও ফুটেজের ফরেনসিক পরীক্ষা করতে পারে;
- ভূমি অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করতে পারে;
- কর্মকর্তা ও দালালদের কথিত যোগাযোগ অনুসন্ধান করতে পারে;
- পূর্বের বিভাগীয় অভিযোগ ও তদন্তের নথি পর্যালোচনা করতে পারে।

Advertisement
Advertisement

এগুলো করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

অতীতের অভিযোগও কি তদন্তের আওতায় আসবে?

Advertisement
Advertisement

স্থানীয় ও প্রশাসনিক সূত্রের বরাতে বাবলু মিয়ার বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অভিযোগ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের সরকারি নথি যাচাই করে চূড়ান্ত সত্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

যদি সত্যিই তার বিরুদ্ধে অতীতে বিভাগীয় মামলা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হয়ে থাকে, তাহলে সেই নথি প্রকাশ করে জনগণকে জানানো উচিত—কী অভিযোগ ছিল, তদন্তে কী পাওয়া গিয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement

কারণ একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ ওঠার পরও যদি কার্যকর ব্যবস্থা না হয়, তাহলে দায় শুধু ব্যক্তির নয়—তদারকি ব্যবস্থারও প্রশ্নের মুখে পড়ে।

ভূমিসেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বন্ধ হবে কবে?

Advertisement
Advertisement

নামজারি, জমাভাগ, খাজনা, বন্দোবস্ত ও ভূমির রেকর্ড—এসব সাধারণ মানুষের মৌলিক নাগরিক সেবার অংশ।

একজন কৃষক, প্রবাসী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি কিংবা উত্তরাধিকারী যখন নিজের জমির বৈধ কাগজপত্র ঠিক করতে ভূমি অফিসে যান, তখন তাকে যদি কথিত ঘুষের চাপের মুখে পড়তে হয়, তাহলে সেটি শুধু দুর্নীতির অভিযোগ নয়—এটি রাষ্ট্রীয় সেবার প্রতি মানুষের আস্থার সংকট।

Advertisement
Advertisement

কাশিমপুরের ঘটনায় প্রশাসনিক পদক্ষেপের পর টোক ভূমি অফিসের অভিযোগ সামনে আসায় এখন গাজীপুরের অন্যান্য ভূমি অফিসেও একযোগে নজরদারি ও বিশেষ অডিট করার দাবি উঠেছে।

প্রশাসনের সামনে এখন কঠিন পরীক্ষা

Advertisement
Advertisement

টোক ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য না মিথ্যা—তা সাংবাদিকের প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি বা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্যে নির্ধারিত হওয়ার কথা নয়।

তদন্তই পারে সত্য বের করে আনতে।

Advertisement
Advertisement

তাই গাজীপুর জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি—কাশিমপুরের মতো টোক ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অভিযোগও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক।

এক লাখ টাকা দাবির অভিযোগের ভিডিও যাচাই করা হোক। ‘অফিসার’ প্রসঙ্গে কথোপকথনের ব্যাখ্যা নেওয়া হোক। কথিত অর্থের কোনো লেনদেন হয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা হোক। অতীতের অভিযোগ ও বিভাগীয় নথি পরীক্ষা করা হোক।

Advertisement
Advertisement

অভিযোগ মিথ্যা হলে বাবলু মিয়া তদন্তের মাধ্যমে নির্দোষ প্রমাণিত হবেন। আর অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পথ খুলবে।

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাময়িকভাবে বিতর্ক থামানো যেতে পারে; কিন্তু প্রমাণ, নথি ও নিরপেক্ষ তদন্তের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

Advertisement
Advertisement

অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

পরবর্তী পর্বে থাকছে—টোক ভূমি অফিসের কথিত ঘুষের রেট, দালালচক্র, বড় ফাইলের লেনদেন এবং ‘অফিসার’ প্রসঙ্গে উঠে আসা রহস্যের নেপথ্যের আরও তথ্য।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

রায়পুরায় ৩টি হত্যাসহ ১০ মামলার আসামি হান্নান ও সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ৮:২৯ PM ২০৬ বার পড়া হয়েছে
রায়পুরায় ৩টি হত্যাসহ ১০ মামলার আসামি হান্নান ও সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার
ছবি:পল্লী নিউজ টিভি
Advertisement
Advertisement

নরসিংদীর রায়পুরা থানার চরাঞ্চলের নিলক্ষা এলাকার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হান্নানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই অভিযানে মির্জারচরের অন্যতম সন্ত্রাসী নুরুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ তথ্য জানান রায়পুরা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর।

এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার সকালে রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও এলাকা থেকে রায়পুরা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাদের গ্রেপ্তার করে।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: পুকুরে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজন সহ।

পুকুরে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজন সহ।

গ্রেপ্তার হান্নান মিয়া ওরফে হান্না(৪০) নিলক্ষা ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে ও নুরুল ইসলাম (৩৫) মির্জারচর বিলেরপাড় এলাকার রুশন আলীর ছেলে।

​পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী হান্নান এর বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় মোট ১০টি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে গত জুনে নিলক্ষায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডসহ ৩টি হত্যা মামলা, ১টি দ্রুত বিচার আইনের মামলা, ১টি মাদক মামলা এবং অন্যান্য ধারায় ৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়া নুরুল ইসলাম বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত। রায়পুরার দুর্গম চর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

পুকুরে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজন সহ।

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ৫:৪২ PM ৮৬ বার পড়া হয়েছে
পুকুরে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজন সহ।
ছবি:পল্লী নিউজ টিভি সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে নাতি-নাতনিসহ এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের শাকচর এলাকায় ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন আবু সিদ্দিক (৭০) তার নাতি পিয়াস (৮) ওনাতনি পপি আক্তার (৬)। দাদা আবু সিদ্দিককে বাঁচাতে গিয়ে ওই দুই শিশু মারা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
নিহত আবু সিদ্দিক পাটোয়ারী সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির আব্দুল মান্নান পাটোয়ারীর ছেলে। পিয়াস তার (সিদ্দিক) ছেলে আব্দুল আজিজের সন্তান ও পপি তার মেয়ে সুমি আক্তারের সন্তান।
লক্ষ্মীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে নাতি-নাতনিসহ এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের শাকচর এলাকায় ইব্রাহিম পাটোয়ারী বাড়ির পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানায়, আবু সিদ্দিক তার দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে যান।

Advertisement
Advertisement

গোসলের একপর্যায়ে তিনি পানিতে ডুব দেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ তিনি পানির নিচ থেকে না ওঠায় পিয়াস ও পপি তাকে পানিতে খুঁজতে গিয়ে তারাও ডুবে যায়। ঘটনার প্রায় এক ঘন্টা পর স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
 ধারণা করা হচ্ছে আবু সিদ্দিক পানিতে ডুব দিয়ে স্ট্রোক করেছিলেন। যার কারণে তিনি ডুব দিলেও আর ওঠতে পারেননি। এতে তাকে বাঁচাতে গিয়ে নাতি-নাতনিও পানিতে ডুবে মারা যায়।

আরও পড়ুন: নরসিংদীতে নিষিদ্ধ সংগঠন যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনি গ্রেপ্তার

নরসিংদীতে নিষিদ্ধ সংগঠন যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনি গ্রেপ্তার


শাকচর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, ‘একসঙ্গে একই পরিবারের তিনজন মারা গেছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

Advertisement
Advertisement


লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। খুবই দুঃখজনক। ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ:

নরসিংদীতে নিষিদ্ধ সংগঠন যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনি গ্রেপ্তার

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ১:১৮ PM ৬৭ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীতে নিষিদ্ধ সংগঠন যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনি গ্রেপ্তার
ছবি:পল্লী নিউজ টিভি
Advertisement
Advertisement

নরসিংদীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনিকে গ্রেপ্তার করেছে নরসিংদী সদর থানা পুলিশ। আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

​মূল তথ্যসমূহ:
 

Advertisement
Advertisement

​গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি: মাহিয়া মনি, নরসিংদীর জেলা যুব মহিলা লীগ নেত্রী।

​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী: নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ।

Advertisement
Advertisement

​বর্তমান পরিস্থিতি: পুলিশ বর্তমানে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

 

আরও পড়ুন: বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: আনন্দ র‍্যালিতে রায়পুরার পথে চর মধুয়া ইউনিয়ন

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: আনন্দ র‍্যালিতে রায়পুরার পথে চর মধুয়া ইউনিয়ন

​ঘটনার বিবরণ:

Advertisement
Advertisement

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন মাহিয়া মনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী সদর থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে নরসিংদী শহর বা এর আশেপাশের এলাকা থেকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।

​পুলিশের বক্তব্য:

Advertisement
Advertisement

​নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গণমাধ্যমকে জানান, \"আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যুব মহিলা লীগ নেত্রী মাহিয়া মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।\"

​ সাম্প্রতিক সময়ে নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ: