নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে ফসলি জমি ও সরকারি খাসজমি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে, কাঁকন নদী মেঘনা নদী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় স্থানীয় কৃষিকাজ, মৎস্য আহরণ ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় অনুষ্ঠান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
চলতি বছর জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে জনস্বার্থে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। গত ১৪ এপ্রিল ‘রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী’ শিরোনামে প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশ পায়। পরবর্তীতে ২৪ মে কাঁকন নদী দখল ও তদন্ত নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ এবং ২১ জুন সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক হয়রানির অভিযোগ এনে আরও সংবাদ প্রকাশিত হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেঘনা নদী থেকে কাঁকন নদী বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এর স্বাভাবিক প্রবাহ সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীনির্ভর জেলেদের জীবিকা সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের ফসলি জমিতেও আগের মতো ফসল ফলছে না। নদীটির সঙ্গে মেঘনার পুনঃসংযোগ স্থাপনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় জনমনে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। কাঁকন নদীর সঙ্গে জড়িত রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী পাগলনাথ মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও।
তবে ফসলি জমি ও সরকারি খাসজমি জবরদখল, লিজের রাজস্ব আদায় এবং কাঁকন নদী পুনঃসংযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।